بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা, খলিলুল্লাহ, আওলাদে মোস্তাফা, খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আন্হুর

বাণী মোবারক

হে যুবক! নামাজ পড়, রোজা রাখ, নবী করিম (দ.) এর উপর দরুদ পড়, মাতৃভূমি শান্ত কর ।

আওলাদে রাসূল(দ.) হযরতুলহাজ্ব আল্লামা অধ্যক্ষ শায়খ ছৈয়্যদ মাননীয় মোর্শেদে আজম মাদ্দাজিল্লুহুল আলী ছাহেবের

বাণী মোবারক

তরিক্বত আমাদের রাস্তা, মোর্শেদ গাউছুল আজম আমাদের পথ প্রদর্শক, ধৈর্য আমাদের ইউনিফর্ম, খুলুছিয়ত আমাদের অস্ত্র, তরিক্বতপন্থীরা আমাদের আপন ভাই, এশায়াত সম্মেলন আমাদের ঈদ, মজিলে মকছুদ আমাদের লক্ষ্য ।

কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফ তরিক্বতের ঐতিহাসিক তরিকত কনফারেন্স ২০২৬

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, বেলা ৩টাজমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ ময়দান, চট্টগ্রাম

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ্,
মহান আল্লাহ তা’আলা পৃথিবীতে মানুষ সৃষ্টি করে হেদায়তের জন্য যুগে যুগে অসংখ্য নবী ও রাসূল প্রেরণ করেছেন। সকল নবী ও রাসূল আল্লাহর বিধান অনুসারে জীবন পরিচালনার জন্য মানবজাতিকে আহবান করেছেন। তাঁরা মানুষকে চিরস্থায়ী সুখ শান্তির পথ প্রদর্শন করেছেন। সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ছৈয়্যদুল মুরছালিন, রাহমাতুল্লিল আলামিন হুজুর পাক (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বেছাল শরীফের পর কিয়ামত পর্যন্ত তাঁর উম্মতের মধ্যে এক বিশেষ শ্রেণির মনীষীগণ দ্বীন ইসলামের প্রচার ও প্রসার করবেন। তাঁরা রাসূল (দ.) এর প্রতিনিধি এবং তাঁদেরকে গাউছ, গাউছুল আজম, কুতুবুল আকতাব, মুজাদ্দেদে জামান বলা হয়। এ সকল ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ একের পর এক কিয়ামত পর্যন্ত আসতে থাকবেন।

একবিংশ শতাব্দীতে ইসলাম ও মুসলমানদের ক্রান্তিকালে আমরা পেয়েছি একজন মুজাদ্দেদে জামান, খলিলুল্লাহ, আওলাদে মোস্তফা, খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে। যিনি প্রতিষ্ঠা করেন কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফ ও মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ এবং পথভ্রষ্ট মানুষকে হেদায়তের জন্য প্রবর্তন করেন কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফ তরিক্বত। এ মহামনীষী পৃষ্ঠপোষকতা করেন কাগতিয়া এশাতুল উলুম কামিল এম.এ. মাদরাসা এবং প্রতিষ্ঠা করেন অসংখ্য দ্বীনি প্রতিষ্ঠান।

২৬ রজব ১৪৩৭ হিজরি, ৪ মে ২০১৬, বুধবার পবিত্র মিরাজুন্নবী (দ.) এর বরকতময় সময়ে লক্ষ লক্ষ তরিক্বতপন্থী ও মুহিব্বিনকে শোকসাগরে ভাসিয়ে এ মহামনীষী স্রষ্টার সান্নিধ্যে চলে যান। বর্তমানে তরিক্বত ও মাদরাসার সকল কাজের আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছেন তাঁরই একমাত্র খলিফা আওলাদে রাসূল (দ.) হযরতুলহাজ্ব আল্লামা অধ্যক্ষ শায়খ ছৈয়্যদ মাননীয় মোর্শেদে আজম মাদ্দাজিল্লুহুল আলী ছাহেব।

তিনি পুরুষ তরিক্বতপন্থীদেরকে সামনা-সামনি বসিয়ে তরিক্বতের বিশেষ পদ্ধতিতে তাওয়াজ্জুহ্-বিল-হাজের প্রদান করেন এবং মহিলা তরিক্বতপন্থীদেরকে স্বীয় খানকাহ্ শরীফ থেকে পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে তাওয়াজ্জুহ্-বিল-গায়ের প্রদান করেন, মাশাআল্লাহ। তরিক্বতের বিশেষ পদ্ধতিতে ফয়েজে কুরআন প্রদানের মাধ্যমে নূরে কুরআন বিতরণ করে তরিক্বতপন্থীদের ক্বলবকে আলোকিত ও পবিত্র করেন।

তরিক্বতের এই সোনালি শাশ্বত ব্যবস্থাপনার পয়গাম মুসলিম মিল্লাতের নিকট পৌঁছে দেওয়ার জন্য মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি. সোমবার, বেলা ৩টা হতে চট্টগ্রাম জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ ময়দানে আয়োজন করছে ঐতিহাসিক তরিক্বত কনফারেন্স।

আসুন! মুসলিম ভাইয়েরা, ঐতিহাসিক তরিক্বত কনফারেন্সে উপস্থিত হয়ে শরীয়ত ও তরিক্বতের বাস্তব জ্ঞানার্জন করে আল্লাহ ও নবী প্রেমিক হিসেবে নিজেদেরকে গড়ে তুলি এবং খলিলুল্লাহ, আওলাদে মোস্তফা, খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর ফয়েজ বরকত অর্জন করি। আমিন! ছুম্মা আমিন!!

সালামান্তে
আহবায়ক
তরিক্বত কনফারেন্স বাস্তবায়ন পরিষদ।

মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশwww.kagatiaaliadarbar.org

ঐতিহাসিক তরিকত কনফারেন্স ২০২৬-এর ভিডিও