ঐতিহাসিক গাউছুল আজম কনফারেন্স ২০২৫
কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা, খলিলুল্লাহ, আওলাদে মোস্তাফা, খলিফায়ে রাসূল (দ.)
হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আন্হুর
বাণী মোবারক
হে যুবক! নামাজ পড়, রোজা রাখ, নবী করিম (দ.) এর উপর দরুদ পড়, মাতৃভূমি শান্ত কর ।
আওলাদে রাসূল(দ.) হযরতুলহাজ্ব আল্লামা অধ্যক্ষ শায়খ ছৈয়্যদ মাননীয় মোর্শেদে আজম মাদ্দাজিল্লুহুল আলী ছাহেবের
বাণী মোবারক
তরিক্বত আমাদের রাস্তা, মোর্শেদ গাউছুল আজম আমাদের পথ প্রদর্শক, ধৈর্য আমাদের ইউনিফর্ম, খুলুছিয়ত আমাদের অস্ত্র, তরিক্বতপন্থীরা আমাদের আপন ভাই, এশায়াত সম্মেলন আমাদের ঈদ, মজিলে মকছুদ আমাদের লক্ষ্য ।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ্।
মানবজাতিকে হেদায়াতের জন্য আল্লাহ তা'আলা যুগে যুগে বহু নবী-রাসূল ধরার বুঝে প্রেরণ করেছেন। আখেরি নবী ছৈয়্যদুল মুরছালিন রাহমাতুল্লিল আলামিন মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ তা'আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাওহিদের বাণী নিয়ে সমগ্র মানবজাতির নিকট শুভাগমন করে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা করলেন আল্লাহ তা'আলার মনোনীত একমাত্র দ্বীন-ইসলাম। ইসলামের এই শাশ্বত জীবনব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ অনুসরণ এবং প্রাত্যহিক জীবনে তার পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের মধ্যেই নিহিত রয়েছে মানুষের ইহকালীন ও পরকালীন জীবনের কল্যাণ। মানুষ যাতে আল্লাহ তা'আলা ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তা'আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পথ ভুলে গিয়ে গোমরাহিতে লিপ্ত হয়ে না যায় সেজন্য কিয়ামত পর্যন্ত 'ওরাছাতুল আম্বিয়া' হিসেবে বেলায়াতের ক্ষমতাসম্পন্ন আউলিয়ায়ে কেরামগণ মানবজাতিকে হেদায়াতের পথ প্রদর্শন করে থাকবেন। তেমনি একজন কালশ্রেষ্ঠ মহামনীষী হলেন খলিলুল্লাহ, আওলাদে মোস্তফা, খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল অ্যাজম রাদ্বিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু। গোমরাহির অন্তরালে পথ হারা মানুষদের হেদায়াতের জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন কুরআন-সুন্নাহর আলোকে সাজানো 'কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফ তরিকৃত'। এ যুগান্তকারী তরিকতে রয়েছে প্রিয় নবী (দ.) এব বাতেনি নূরের তাওয়াজ্জুহ, ফয়জে কুরআন, মোরাকাবার অনুশীলন, সুন্নাতে মোস্তফার অনুসরণ এবং দৈনিক ১১১১ বার দরূদে মোস্তফা আদায়ের বিধান। পাশাপাশি সমাজে ইসলামি ভ্রাতৃত্ববোধের জাগরণ, সামাজিক সংহতি বজায় রেখে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সুশৃঙ্খল সমাজব্যবস্থা কায়েম এবং আল্লাহ তা'আলার নির্দেশিত 'আমর বিল মারূফ ওয়ান নাহি আনিল মুনকার তথা সৎ কাজের আদেশ ও মন্দ কাজ থেকে নিষেধ' বাস্তবায়ন করার জন্য প্রতিষ্ঠা করলেন মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ। যুবসমাজকে হেদায়াতের পথে পরিচালিত করতে তিনি গাউছিয়্যতের কণ্ঠে ঘোষণা করলেন, "হে যুবক। নামাজ পড়, রোজা রাখ, নবী করিম (দ.) এর উপর দত্তদ পড়, মাতৃভূমি শান্ত কর।" শরিয়তের পূর্ণাঙ্গ অনুসরণের মাধ্যমে ইসলামি আধ্যাত্মিকতার পুনর্জাগরণ ও জহানিয়তের বিকাশে তিনি অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছেন। বর্তমানে তাঁরই একমাত্র খলিফা, আওলাদে রাসূল (দ.) হযরতুলহাজ্ব আল্লামা অধ্যক্ষ শায়খ ছৈয়্যদ মাননীয় মোর্শেদে আজম মাদ্দাজিল্লুহুল আলী ছাহেবের অপরিসীম ত্যাগ, কঠোর সাধনা এবং একনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে এই তরিকৃতের আধ্যাত্মিক নিয়ামতের ধারা স্বমহিমায় অব্যাহত রয়েছে। যদ্দরুন একবিংশ শতাব্দীতে ইসলামের এমন ক্রান্তিলগ্নে এসেও খানুষ খুঁজে পায় ফয়েজে কুরআন তথা কুরআনের নূর, 'তাওয়াজ্জুহ বিল হাজের' ও 'তাওয়াজ্জুহ বিল গায়েব'-এর মাধ্যমে হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু তা'আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বাতেনি নূর গ্রহণের সুযোগ, ইবাদাত বান্দেগিতে খুশু-খুযু এবং এখলাসের কহানি শক্তি।
ফেতনার বেড়াজালে আবদ্ধ এই সময়ে অতি-আধুনিকতা ও পাশ্চাত্যের অপসংস্কৃতির আধিপত্য থেকে নিজের ঈমান-আমল হেফাজত করার জন্য শুধু প্রথাসর্বস্ব ধর্মীয় জ্ঞানই যথেষ্ট নয়, বরং এর পাশাপাশি প্রয়োজন 'ইলমুল কূলব' তথা কৃলবের জ্ঞান অর্জন করা। আর এ জন্য রূহানি শক্তি সমৃদ্ধ ছিনা-ব-ছিনা তাওয়াজ্জুহ বিশিষ্ট তরিকৃত অনুশীলনের কোনো বিকল্প নেই। তাই তো এই মহান বাসুলদোমা তরিকৃতের পয়গাম বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর নিকট পৌঁছে দেয়ার প্রয়াসে মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ এর উদ্যোগে আগামী ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ, রোজ সোমবার, বেলা ৩টা হতে চট্টগ্রাম লালদীঘি ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহাসিক গাউছুল আজম কনফারেন্স।
উক্ত কনফারেন্সে উপস্থিত হয়ে আল্লাহ তা'আলা এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লালাহু তা'আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সন্তুষ্ট অর্জন এবং খলিলুল্লাহ, আওলাদে মোস্তফা, খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু তা'আলা আন্হুর ফুয়ুজাত ও বারাকাত লাভের জন্য আশেকে রাসূল ধর্মপরায়ণ মুসলিম মিল্লাতের প্রতি দ্বীনি দাওয়াত রইল।
সালামান্তে
আহবায়ক
গাউছুল আজম কনফারেন্স বাস্তবায়ন পরিষদ
মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ
ঐতিহাসিক গাউছুল আজম কনফারেন্স ২০২৪ (জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ ময়দান, চট্টগ্রাম)
ঐতিহাসিক গাউছুল আজম কনফারেন্স ২০২৪ (লালদীঘি ময়দান, চট্টগ্রাম)
ঐতিহাসিক গাউছুল আজম কনফারেন্স ২০২৩ (জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ ময়দান, চট্টগ্রাম)



